তিনি নাটোর জেলার পাইকপাড়া সর্দার বাড়ির মজির উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে গ্যাস ফিল্ডের কোয়ার্টারে থাকতেন। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন।
জানা যায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে অধ্যক্ষ মুস্তাব তার গাড়ির চালককে বাসায় আসতে বলেন। এরপর তিনি বাথরুমে গেলে আর বেরিয়ে আসেননি। পরে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
.png)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এসআই মো. সাফায়েত উল্লাহ জানান, অধ্যক্ষ মুস্তাব ঋণগ্রস্ত ছিলেন। তিনি তার চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা এবং ব্র্যাক, ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছিলেন। তার ৪টি ট্রাক ছিল। কিন্তু তিনি সেগুলোর কিস্তি পরিশোধ করতে পারছিলেন না। যেখান থেকে তিনি ট্রাকগুলো ডাউন পেমেন্টে কিনেছিলেন সেখান থেকে দুটি ট্রাক নিয়ে যায়। অবশিষ্ট ট্রাকগুলো টিকিয়ে রাখতে গিয়ে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এছাড়াও তিনি মার্চ মাসের একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
তিনি আরো বলেন, বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।