শনিবার (৬ মে) রাত ৮টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকা থানাধীন স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেফতার আরমান শাহ নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের বড় বেথাম গ্রামের আবুল শাহর ছেলে।
.png)
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় আবুল হোসেনকে (৫৫) নিজ বাসায় গলা কেটে হত্যা করেন তার ছেলে আরমান। পরে মরদেহ গুম করার জন্য সহযোগী আশিকুর রহমান আবিরকে ডেকে আনেন। পরবর্তীতে তারা মরদেহটি লুকানোর বিষয়ে গভীর রাত পর্যন্ত পরিকল্পনা করেন। দুজনে মিলে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা বা দূরে কোথাও নিয়ে ফেলে দেওয়ার কথা ভাবেন।
পরে লোকজন দেখে ফেলবে সেই চিন্তায় বাড়ির পাশের সাপমরা খালে কোদাল দিয়ে গর্ত করে গলা পর্যন্ত মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। এরপর উপরের জমিতে জমে থাকা বৃষ্টির পানি খালে ছেড়ে দেওয়া হয়। যেন মরদেহ পানিতে তলিয়ে যায়।
তিনি জানান, এ ঘটনায় আশিকুর রহমান আবিরকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ মার্চ ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সোহরাব শাহ বাদী হয়ে আরমানকে প্রধান আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এর আগেই পালিয়ে যান মূলহোতা আরমান। শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার পালিয়ে থাকার তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, আরমানকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। তাকে মোহনগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।