নিহত তানজিলা একই উপজেলার বাসিন্দা। বছর দশেক আগে তার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। পাঁচ বছর আগে সোনাতলা উপজেলায় বাবার বাড়িতে তাকে নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করতেন তিনি। ৩০ বছরের তানজিলা বাবার বাড়িতে আসার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকার পথে পথে পাগলের মতো ঘোরাফেরা করতেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) আমিনুল ইসলাম।
.png)
তিনি বলেন, রোববার সকালে রেললাইন এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন তানজিলা। ওই সময় রংপুর থেকে ছেড়ে আসা সান্তাহারগামী পদ্মরাগ এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়। এটি দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা তা এখনো জানা যায়নি। তার লাশ উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।