শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এসপি এসএম শফিউল্লাহ।
এর আগে, বুধবার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী। অভিযুক্তরা ঘটনার জন্য দায়ী নয় বা বিস্ফোরণটি কোনো নাশকতা নয়। এটি ছিল একটি দুর্ঘটনা- প্রতিবেদনে বলেছে পুলিশ।
.png)
অভিযুক্তরা হলেন- ডিপোর উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) নুরুল আক্তার, ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) খালেদুর রহমান, সহকারী প্রশাসন কর্মকর্তা আব্বাস উল্লাহ, সিনিয়র নির্বাহী (প্রশাসন ও অভিযোগ) মো. নাসির উদ্দিন, সহকারী ব্যবস্থাপক (অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো) মো. আব্দুল আজিজ, ইনচার্জ (কনটেইনার মালবাহী স্টেশন) সাইদুল ইসলাম, কনটেইনার ও মালবাহী স্টেশনের নজরুল ইসলাম এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) নাজমুল আক্তার খান।
এসপি এসএম শফিউল্লাহ বলেন, পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে, এটি একটি 'মিস্টেক অব ফ্যাক্ট' বলে বলা হয়েছে। ঘটনার জন্য আটজন কর্মকর্তা দায়ী নয়। তাদের দায়িত্বেও কোনো অবহেলা ছিল না। এটি একটি দুর্ঘটনা।
তিনি বলেন, আমরা কোনো ফৌজদারি অপরাধ বা ইল মোটিভ খুঁজে পাইনি।
আদালতের অনুমতি নিয়ে, ডিএনএ রিপোর্ট সংরক্ষণ করে বাকি অজ্ঞাতনামাদের মরদেহগুলো আঞ্জুমান-ই মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়েছে বলে জানান এসপি।
গত বছরের ৪ জুন বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনায় ৫১ জন নিহত হন। আহত হন আরো ২৫০ জন। ঘটনার পর ৮ জুন সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করেন থানার এসআই আশরাফ সিদ্দিক।