এর আগে, রোববার রাতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর এলাকা থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় শফিকুলকে গ্রেফতার করে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উখিংমে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শফিকুল কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্মনগাঁও গ্রামের আব্দুস ছালাম ওরফে ছেলামের ছেলে। মোবাইল ফোন নিয়ে মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা মামলার আসামি শফিকুল। এ মামলার আরো কয়েকজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক রয়েছেন। নিহত মহিউদ্দিন বক্তারপুর ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্মনগাঁও গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।
.png)
কালীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ১৬ আগস্ট রাতে মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে ব্রাক্ষ্মনগাঁও গ্রামের ময়েজউদ্দিনের বাড়ি সংলগ্ন বিলের পাশে মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পরের দিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওসি আরো জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শফিকুলসহ কয়েকজনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ১৯ জুলাই আদালত মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় শফিকুলকে গ্রেফতার করে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।