এদিকে আগামী ১লা মে থেকে ভারি বৃষ্টিপাতসহ কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার আশঙ্কায় দ্রুত পাকা ধান কাটতে মাইকিং করছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ। পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদেরকে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে।
মাইকিংয়ে বলা হচ্ছে- এ উপজেলায় যাদের জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেছে তারা যেন দ্রুত ধান কেটে ফেলে। এ উপজেলায় এরই মধ্যে পাকা ধান কাটা শুরু হলেও মাইকিং করার পর কাঁচা-পাকা ধানও কাটতে শুরু করেছেন কৃষকরা।
.png)
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু হওয়ায় কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।
কৃষক মজিবুর জানান, চলমি মৌসুমে তিনি ৮ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল ধান আবাদ করেন। এর মধ্যে ৩ বিঘা জমির ধান কেটেছেন। বাকি ধান মোটামোটি পেকেছে। আর কিছু দিন হলে শতভাগ পেকে যাবে। তবে মাইকিং শুনার পর শনিবার ২ বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে।
কৃষক জামশেদ মিয়া বলেন, এ মৌসুমে ধার দেনা করে ৬ বিঘা জমি আবাদ করেছি। জমির ধান প্রায় পেকে গেছে। দুই তিন দিনের মধ্যে ধান কাটার চিন্তা রয়েছে। মাইকিং শুনার পর ২ বিঘা জমির ধান কেটে ফেলেছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, আগামী ১লা মে থেকে ভারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস ও আছে। এ কারণে পাকা ধানের বড় ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় যাদের জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকেছে তারা যেন দ্রুত ধান কেটে ফেলে।
তিনি আরো বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা শতভাগ পাকিয়ে ধান কাটতে চাচ্ছেন। কিন্তু ভারি বৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় আর শিলা বৃষ্টি হলে মাঠে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ জন্য কৃষকদের সচেতন করতে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।