মৃতরা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বড় আইলচারা এলাকার মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে মো. শাহিন (৪৭), মিরপুর উপজেলার মশান বারুই পাড়া গ্রামের মৃত হনিফের ছেলে মো. রতন (২১) ও ভেড়ামারা উপজেলার মো. রকিবুল আলমের ছেলে সিফাত উল্লাহ (২৭) ও মিরপুর উপজেলার মশান বারুইপাড়া গ্রামের খলিলের পুত্র সবুজ।
এছাড়া বিষাক্ত মদপান করে অসুস্থ হয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আরো তিনজন। তারা হলেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার গ্রামের কামিরুলের ছেলে প্রেমা (২৪), কুষ্টিয়া কোর্ট পাড়ার আফজাল হোসেনের চেলে ফাহিম (১৪) ও কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার মশান বারুইপাড়া গ্রামের ইদ্রিসের ছেলে শাহিনুর (২১)।
.png)
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, রোববার রাত ৯টার পর থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত বিষাক্ত মদপান করে অসুস্থ হয়ে সাতজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে তিনজন এবং রাজশাহীতে একজনসহ মোট চারজন মারা যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মদের বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে। এখন পর্যন্ত তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি শাহাদাৎ হোসেন জানান, মৃতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি।
এদিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মৃত তিনজনের মধ্যে দুইজনের ময়নাতদন্ত করা হলেও সিফাতুল আলম সিপুর মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।