এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে যশোর সদর উপজেলার আবাদ কচুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- যশোর সদর উপজেলার আবাদ কচুয়া গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে ইসলাম ও শাহজাহান আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও আবু বক্কর মোল্লার ছেলে আবুল কাশেম। অসুস্থরা হলেন- সিতারামপুর গ্রামের মনিরুদ্দীনের ছেলে বাবলু এবং একই গ্রামের আনোয়ার মোড়লের ছেলে রিপন হোসেন মোড়ল । তারা একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন।
জানা গেছে, বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে যশোর সদর উপজেলার আবাদ কচুয়া গ্রামের একটি মেহগনি ও লিচু বাগানে ওই পাঁচজন বিষাক্ত মদপান করেন। রাতেই তারা অসুস্থ হলে নিজ নিজ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নেন। কিন্তু অবস্থায় অবনতি হলে ইসলামকে বৃহস্পতিবার ভোরে (২৬ জানুয়ারি) তথ্য গোপন করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান তিনি। এরপর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ছাড়পত্র ছাড়াই মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে চলে যায়।
.png)
বাকী চারজন বাড়িতে আরো অসুস্থ হলে শুক্রবার সকালে তারা একে একে যশোর হাসপাতালে ভর্তি হন। এরমধ্যে জাকির হোসেন দুপুর পৌনে ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপরই তাদের বিষাক্ত মদপানের বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনা জানাজানি হলে হাসপাতালে ভর্তি বাবলু ও রিপন হোসেন হাসপাতাল ছেড়ে বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি হন। অপর অসুস্থ আবুল কাশেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনিও শুক্রবার রাতে মারা যান।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মহিউদ্দিন জানান, এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী অসুস্থ ও মৃতরা বিষাক্ত মদপান করেছিলেন। কিন্তু তাদের স্বজনরা সেই তথ্য গোপন করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র না ছাড়াই লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছেন স্বজনরা।
যশোর কোতোয়ালি মডেল ওসি তাজুল ইসলাম জানান, বিষাক্ত মদপানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।