ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, নির্মাণ শ্রমিকের যাবজ্জীবন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২২, ১৮ এপ্রিল ২০২৩
স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, নির্মাণ শ্রমিকের যাবজ্জীবন
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শরীয়তপুরে এক স্কুলছাত্রী অপহরণ এবং ধর্ষণ মামলায় মো. আবুল সরদার (৩০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিককে যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয় আদালত।

সোমবার দুপুরে শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় দেন।

দণ্ড পাওয়া আবুল সরদার বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার বয়সা এলাকার আজাহার সরদারের ছেলে। তিনি একজন নির্মাণ শ্রমিক। তিনি কারাগারে ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় তাকে আদালতের কাঠগড়ায় নেয়া হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে আবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

Advertisement

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়ে শরীয়তপুরের সখিপুর থানার কাচিকাটা জহুরা কাদির উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের  নবম শ্রেণিতে পড়ত। আর আসামি ওই বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ কাজ করতেন। ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে গেলে আবুল বিরক্ত করতেন, একপর্যায়ে প্রেমের প্রস্তাব দেন। ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়তে বের হলে আবুল ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে চাঁদপুর নিয়ে যান। এরপর মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। ২ অক্টোবর সখিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্তের সময় আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে আসে। অবশেষে সাক্ষ্যপ্রমাণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত মঙ্গলবার আসামি আবুলকে যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়। পাশাপাশি তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয় আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ কৌঁসুলি (পিপি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, মামলার বাদী ন্যায় বিচার পেয়েছেন। আসামিকে উপযুক্ত শাস্তি পেতে হয়েছে। আসামি আগে থেকেই কারাগারে ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে দণ্ড ভোগ করার জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী খালিদ আল মামুন বলেন, এই রায়ে আসামি পক্ষ সন্তোষ নয়। তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। সেখানে ন্যায় বিচার পাবেন বলে আসা করছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!