ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে ঢাকার নবাবগঞ্জের নতুন বান্দুরা এলাকায়। এ ঘটনায় প্রেমিক মো. শরীফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। দগ্ধ রাত্রী নতুন বান্দুরা মো. রহিমের মেয়ে এবং শরীফ দোহার উপজেলার করিমগঞ্জের মো. সিরাজের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাতে নিজের গায়ে কেরাসিন ঢেকে আগুন দেন রাত্রী৷ এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আগুন নিভানোর আগেই দ্বগ্ধ হন রাত্রী৷ এ সময় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নবাবগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এ সময় প্রেমিকাকে দেখতে এলে প্রেমিক শরীফকে আটক করে এলাকাবাসী। পরে পুলিশ এসে শরীফকে থানায় নিয়ে যায়।
.png)
প্রেমিক শরীফ বলেন, রাত্রীর সঙ্গে আমার এক বছরের সম্পর্ক। শুক্রবার রাত্রী আমাকে না জানিয়ে ঘুরতে গিয়েছিল৷ এ নিয়ে রাত্রীর সঙ্গে রাগারাগী হয়। এতে অভিমান করে রাত্রী তার মোবাইলে কল দিয়ে জানান এখনই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করবে। মোবাইলে কথা বলতে বলতেই নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন রাত্রী৷ তার চিৎকার শুনে আমি দোহার থেকে বান্দুরা চলে আসি। এসে দেখি রাত্রী আগুনে দ্বগ্ধ হয়েছে।
রাত্রীর ভাই আল আমিন বলেন, ঈদের পরই ওদের বিয়ে হওয়ার কথা চলছিল। তবে কী কারণে বোন আমার শরীরে আগুন দিল বুঝতে পারছি না।
শরীফের মা শরুফা বেগম বলেন, ঈদের পরই ওদের দুজনের বিয়ে ঠিক করে রেখেছিলাম৷ সন্ধ্যায় একসঙ্গে শরীফ আমার সঙ্গে ইফতার করেছে৷ কী নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে আমরা বলতে পারি না।
নবাবগঞ্জ থানার এএসআই ইসমাইল বলেন, প্রেমিক শরিফকে জিজ্ঞাসাবাদে জন্য আটক করা হয়েছে।এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।