নিহত সাহারা বেগম পৌর শহরের পঞ্চবটি এলাকার লাল মিয়ার মেয়ে। সোমবার দুপুর ১টার দিকে পৌর শহরের কালীপুর মধ্যপাড়ার সামাদ মিয়ার বাড়ির ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, এক বছর আগে ভৈরবের পঞ্চবটি এলাকার বাসিন্দা সাহারা বেগম একই এলাকার রিকশাচালক উজ্জ্বল মিয়ার সঙ্গে প্রেম করার পর বিয়ে করেন তারা। বিয়ের কয়েক মাসপর থেকেই কালীপুর মধ্যপাড়ার সামাদ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। এর মধ্যে ওই গৃহবধূ সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
.png)
সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘর তালাবদ্ধ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে লোকজন দরজা খুলে দেখেন বাঁশের মধ্য দড়িতে ঝুলছে সাহারার মরদেহ। দ্রুত পুলিশকে খবর দিলে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।
নিহতের ছোট বোন সিমা জানান, আমার বড় বোন পরিবারের মতের বিরুদ্ধে রিকশাচালক উজ্জ্বলকে বিয়ে করে আলাদা বাসায় থাকতেন। সেজন্য তাদের সঙ্গে আমাদের তেমন কোনো যোগাযোগ ছিলো না। সকালে বোনের মৃত্যুর খবর শুনে এখানে এসেছি। কি কারণে মারা গেলো তা জানি না। তবে সেখানকার আশপাশের লোকজনের থেকে শুনেছি আমার বোনকে প্রায় তার স্বামী মারধোর করতেন। আমার বোনের মুখে মারধোরে চিহ্ন রয়েছে।
ভৈরব থানার এসআই আব্দুর রহমান বলেন, খবর পেয়েই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। মরদেহের শরীরের তেমন কোনো আঘাত নেই। তবে তার মুখমন্ডলে একটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।