শনিবার দুপুরে উপজেলার পাওটানা রোডের ব্রাহ্মণীকুণ্ডা বাজার সংলগ্ন কলাবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শের আলী ওই এলাকার মৃত মানিক উল্ল্যার ছেলে। তবে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
.png)
নিহতের পরিবারের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শের আলীকে গলা কেটে হত্যার পর কলাবাগানে তার মরদেহ ফেলে রাখে প্রতিপক্ষ।
সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) কামরুজ্জামান জানান, শনিবার সকালে ব্রাহ্মণীকুণ্ডা বাজারের পূর্ব পাশের একটি কলাবাগান থেকে গলাকাটা অবস্থায় শের আলীর মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।