বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর নৌ-থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাটকা রক্ষায় বুধবার (৮ মার্চ) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অভয়াশ্রম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাছ ধরার সময় হাতেনাতে ২৯ জেলেকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৮ জনকে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৮ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়। এছাড়া ৩ শিশু জেলেকে সতর্ক করে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
.png)
তিনি আরো বলেন, উদ্ধারকৃত কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। মাছ ধরার ৫টি নৌকা মামলার আলামত হিসেবে রয়েছে। আর ১৮৮ কেজি জাটকা স্থানীয় গরিবদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন- মো. ফারুক (২৬), মো. কবির (১৯), মো. শামীম (১৯), মো. ইমরান (১৯), মো. মাহবুব (২০), জাবের হোসেন (১৯), আলমগীর প্রধানিয়া (৪০), রাশেদ হোসেন শেখ (২২), রফিকুল ইসলাম বেপারী (৬০), শাহাদাত হোসেন ইমান (২০), সৈয়দ হোসেন শিকদার (৬২), বিল্লাল হোসেন প্রধানিয়া (৩০), দুলাল মৃধা (৩৮), আক্তার হোসেন গাজী (৪৫), আবদুল করিম তপাদার (৪৫), আজির আলী মির (৫০), মহসিন প্রধানিয়া (৪০), আল-আমিন হাওলাদার (২৬)। তাদের বাড়ী চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়।
এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার নুনের টেক এলাকার শুক্কুর আলী (৩৪), আমির হোসেন (৩২), শিপন (২০), সেন্টু (৩২), মাঈন উদ্দিন (১৯), কবির হোসেন (২২), মো. সুমন (২০), শেখ ফরিদ (২৮)।
অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু জেলেরা হলেন- শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার আরিফ (১২), মো. নোমান (১৩) ও সাব্বির বেপারী (১৩)।
পদ্মা-মেঘনায় জাটকা রক্ষায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকাসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে সরকার। মৎস্য আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।