বৃহস্পতিবার দুপুরে সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে অলিভ রিডলে প্রজাতির মৃত কাছিমটি উদ্ধার করে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি টিম। মৃত কাছিমটির পেটে পাওয়া যায় ১০৯টি ডিম।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর। তিনি জানান, বুধবার রাতে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কাছিমটি ভেসে আসার খবর দেন জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মৃত সামুদ্রিক কাছিমটি উদ্ধার করে ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।
.png)
তিনি আরো জানান, প্রজনন মৌসুম হিসেবে মা কাছিমটি ডিম পাড়তে সমুদ্র উপকূলে আসতে চেয়েছিল। সাগরে কোনো জাহাজ বা জেলেদের জালে আটকা পড়ে কাছিমটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাছিমটির মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর জানান, সমুদ্র উপকূলে ডিম পাড়তে এসে সামুদ্রিক কাছিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী মারা যাচ্ছে। গত তিন মাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অন্তত ৩০টি সামুদ্রিক কাছিম মারা গেছে। এর মধ্যে গত মাসে শুধু পেঁচার দ্বীপ থেকে ছয়টি মৃত কাছিম উদ্ধার করা হয়।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ৩০ কেজি ওজনের মা কাছিমটির দৈর্ঘ্য তিন ফুট তিন ইঞ্চি এবং প্রস্থ দুই ফুট তিন ইঞ্চি। এর বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। পেটে ১০৯টি ডিম ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে কাছিমটির দেহ ও ডিম গবেষণার জন্য ল্যাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।