বুধবার ভোরে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গেফতারকৃতরা হলেন- মোছা. শাহনাজ পারভীন, সিদ্দিক আলী শাহ ও মোছা. সেলিনা আক্তার রুপালি। তারা একই পরিবারের সদস্য।
বুধবার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব-৫ এর মিডিয়া সেল। এতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঐ এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ মাদক মজুত আছে। সেখানে পরিচালনা করে মোশাররফের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন, সিদ্দিক আলী শাহ ও মোছা. সেলিনা আক্তার রুপালিকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মোশাররফ হোসেন এবং তার শ্বশুর র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে আগেই পালিয়ে যান।
.png)
পরে গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান দিনাজপুরের বিরামপুরে এনে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করতেন। তবে মোশাররফের বড় কয়েকটি চালান বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে। এরপর তিনি কৌশল পাল্টিয়ে টেকনাফ থেকে সমুদ্র পথে পার্শ্ববর্তী দেশ হয়ে সোনা মসজিদ ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বিরামপুরে তার নিজ বাড়িতে ইয়াবার চালান নিয়ে আসতেন। পরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করতেন।
তারা আরো জানান, মোশাররফ ও তার স্ত্রী সেলিনা দিনাজপুরের মাদক সিন্ডিকেটের মূলহোতা। এছাড়া অভিযুক্ত মো. মোশাররফের শ্বশুর মো. বিপ্লব হোসেন দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তিনি ইয়াবার চালান নিয়ে এসে তার নিজ বাড়ি ও তার শ্বশুরবাড়িতে আন্ডারগ্রাউন্ডে অভিনব কায়দায় সংরক্ষণে রেখে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতেন।