নিহত মহিউদ্দিন রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের জুমছড়ি এলাকার পেয়ার মোহাম্মদের ছেলে।
জানা যায়, দুইদিন আগে চকরিয়া পৌর-শহরের চিরিঙ্গা সিটি পার্ক নামে একটি হোটেলে অবস্থান উঠেন মহিউদ্দিন। শনিবার দুপুরে রুম ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও দরজা বন্ধ থাকায় হোটেল বয় দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলতে বলেন। কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে দেখা যায়; খাটের ওপর তার মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ঘটনাস্থলে থেকে মহিউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
মহিউদ্দিনের বড় বোন সাজেদা বেগম জানান, আমার ভাই বাসের হেলপার ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি চট্টগ্রামের ভাড়া বাসা থেকে বের হন। তার বাসা থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা দুই বন্ধু হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ এনে তিনি চকরিয়া এসেছিলেন। তাকে (মহিউদ্দিন) অপহরণ করা হয়েছে বলে ফোনে আমাকে জানান। এ ঘটনায় শুক্রবার চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মোজাহের পাড়ার আবদুল করিম ও মো. ইছমাইল নামের দুই যুবককে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে চকরিয়া থানা পুলিশ ওই দুই যুবককে গ্রেফতার করে। শনিবার বিকেলে হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় মরদেহের পাশে একটি প্যাডে তার হাতের লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়। তার নাকে-মুখে ফেনা দেখা যাচ্ছে। সঙ্গে বিষের গন্ধও রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে রহস্য উন্মোচন করা যাবে।