খুলনায় করোনা সনদ জালিয়াতির সত্যতা মিলল
খুলনায় করোনা সনদ জালিয়াতির ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় খুলনার ডিসি বরাবর পুলিশি ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
সোমবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ আলীর মাধ্যমে ডিসি বরাবর তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়।
এর আগে ১৫ জুলাই ‘খুলনায় টাকায় মিলছে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট’ এ শিরোনামে ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরদিন দুপুরে করোনা সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন।
কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ডেপুটি সিভিল সার্জন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের পরিচালকের একজন প্রতিনিধি তদন্ত করেন। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও একদিন পর সোমবার বিকেলে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।
জানা গেছে, টাকার বিনিময়ে দুইজনকে করোনা নেগেটিভ সনদ দেন খুমেক হাসপাতালের লিফটম্যান নওশাদ। কিন্তু প্রকৃত নমুনা পরীক্ষায় ওই দুইজনেরই করোনা পজিটিভ আসে। এছাড়া যে আইডির মাধ্যমে নেগেটিভ সনদ দেয়া হয়েছিল তাও ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।
কমিটির সদস্য ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইদুর রহমান বলেন, আমরা তদন্ত শেষ করে ডিসি বরাবর প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। এ বিষয়ে পুলিশি ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে।