আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১, বাড়িঘরে ভাঙচুর-লুটপাট
সোমবার ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু'দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে জাফর মোল্যা নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত জাফর মোল্যা উপজেলার বড় পাইককান্দী গ্রামের জলিল মোল্যার ছেলে।
জানা গেছে, উপজেলার বড় পাইককান্দী গ্রামের কালু মাতুব্বরের সঙ্গে আক্তার মাতুব্বরের দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার দিন রোববার বিকেলে একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আক্তার মাতুব্বরের দু'জন সমর্থককে আটক করে কালু মাতুব্বরের লোকেরা। পরে আক্তার মাতুব্বরের লোকেরা তাদের ছাড়াতে এলে এক পক্ষ অপর পক্ষের সঙ্গে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়।
.png)
আহতদের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে জাফর মোল্যা ও সরোয়ার খানের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাদের দু’জনকে রোববার রাতেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পথেই জাফর মোল্যা মারা যান।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।
অন্যদিকে জাফর মোল্যার মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে রাতেই আক্তার মাতুব্বরের সমর্থকেরা কালু মাতুব্বরের সমর্থকদের বাড়িতে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। প্রায় ১৫টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কালু মাতুব্বর বলেন, আক্তার মাতুব্বর তার সমর্থকদের নিয়ে ১০ জন করে প্রায় ১০টি দল তৈরি করেছে। এরা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে একেক দল আমার সমর্থকদের একেক বাড়িতে গিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে।
ওসি শেখ মো. সোহেল রানা বলেন, জাল চুরি নিয়ে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। সংবাদ পেয়ে আমরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।