ঢাকা,  শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

সোহরাওয়ার্দীতে আনসারদের হাতে আটক একজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:৫২, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোহরাওয়ার্দীতে আনসারদের হাতে আটক একজনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনসার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে আটক জনি হোসেনের (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার মৃত্যু হয়। তিনি মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক ছিলেন।

হাসপাতাল ও আনসার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়। রাত ৩টার দিকে ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে শাহাদত (৩৫) নামে একজনকে, ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে জনি (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১) নামে তিনজনকে এবং সকাল ৬টার দিকে আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামে আরেকজনকে আটক করা হয়।

পরে আনসার সদস্য এপিসি শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও মো. হাসান আলী সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ওই পাঁচজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করেন। আনসার বাহিনীর দাবি, হস্তান্তরের সময় আটক ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন।

Advertisement

পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটার অভিযোগ ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দেয়। তবে খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার না হওয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি, জিহান ও নাদিমকে ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে।

বিকাল ৩টার দিকে আটক জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিকাল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ও সার্বিক তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!