শনিবার রাজধানীর কাকরাইল মারকাজ মসজিদে গত ১৭ ডিসেম্বর রাতে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে হামলা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবি ও তাবলিগের চলমান ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ওলামা-মাশায়েখ বাংলাদেশ এবং দাওয়াত ও তাবলিগের সাথীরা।
.png)
বর্তমান সরকারের নীরবতাকে দোষারোপ করে মামুনুল হক বলেন, ফ্যাসিবাদী প্রেতাত্তারা এখনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে ব্যস্ত। এছাড়া ২০১৮ সালের ঘটনার যথাযথভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হলে ২০২৪ এর পুনরাবৃত্তি হতো না।
সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি পেশ করা হয়। এর মধ্যে ১০ জানুয়ারি দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিলসহ সাদপন্থীদের সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবি করা হয়। আগামী ২৫ জানুয়ারি ওলামা সম্মেলন থেকে পর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবু নগরী, নায়েবে আমির মধুপুরী পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ, মুফতি জসিম উদ্দীন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ আহমেদ, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুখ, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা হাফেজ নাজমুল হোসাইন কাসেমী, মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী, মাওলানা হেলাল উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল আওয়াল প্রমুখ।