বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে রাজধানীর আদাবর থানার শ্যামলী হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে সামুরাই, পাহাড়ি দা, লক কাটার, তিনটি ওয়াকিটকি, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, শিশা খাওয়ার মেশিন, মোটরসাইকেল, রাউটার এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে র্যাব।
শুক্রবার মোহাম্মদপুরের দুর্ধর্ষ এ গ্যাংটির সদস্যকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-২ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও সহকারী পরিচালক শিহাব করিম।
.png)
মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলার বরাত দিয়ে এএসপি শিহাব করিম বলেন, নিহত বিল্লাল গাজী সাভার থানার একটি হাউজিং কোম্পানির মাঠ পর্যায়ের কর্মী। গত ১ অক্টোবর রাতে তিনি অফিসের লোকজনের সঙ্গে প্রকল্প এলাকা থেকে ডিউটি শেষে বাসায় ফিরছিলেন। পথে মোহাম্মদপুর থানার নবোদয় হাউজিং এলাকায় বিল্লাল ওরফে ভাগ্নে বিল্লালসহ কবজি কাটা গ্রুপের ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বিল্লাল গাজীকে গুরুতর আহত করে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বিল্লাল গাজীর মা বাদী হয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-২ এর একটি দল বিল্লাল ওরফে ভাগ্নে বিল্লালকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আসামিকে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।