শুক্রবার বেলা ১১টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ৬৪ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর ঐক্য-২০০৯ উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ৪০ থেকে ৫০ জন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন- ৬৪ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর ঐক্য-২০০৯ এর মুখপাত্র সাইয়িদ আহমেদ খান, চাকুরিচ্যুত বিডিয়ার সদস্য আবু সালেহ,আল-মামুন খান, জিয়াউল হক জিয়া প্রমুখ।
.png)
চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের ০৫ দফা দাবিসমূহ-
ক। গণতন্ত্র তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় এনে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নিশ্চিত করতে হবে।
খ। বিস্ফোরকের মামলায় যে সকল বিডিআর সদস্য ১৫ বছর যাবত অমানবিকভাবে জেলখানায় বন্দি আছে এবং অনেকেই কারা অভ্যন্তরে পরিবার বর্গ ছাড়া মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মানবিক দিক থেকে বিবেচনা করে অতি দ্রুততম সময়ের মাধ্যমে আমাদের সরকার আইনের সুশাসন ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের বিবেচনা করে অথবা মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
গ। তৎকালীন স্বৈরাচার কর্তৃক অবৈধ বিশেষ আদালত গঠন বিচারের কার্যক্রম বিশেষ আদালত কর্তৃক সকল প্রকার রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে চাকরিচ্যুত সকল বিডিআর সদস্যকে সকল প্রকার সরকারি সুযোগ-সুবিধা এবং রেশন বেতন ভাতা পদোন্নতি ইত্যাদিসহ অতি দ্রুত সহ চাকরিতে পূনবহুল সহ আমরা সরকারের প্রতি দাবি জানাই।
ঘ। ইতিমধ্যে শহিদ সেনা অফিসার পরিবারের পক্ষ থেকে যে সকল দাবি দাবা উত্থাপন করা হয়েছে সেগুলোকে মেনে নেয়ার জন্য এবং ঘটনার পরবর্তী সময়ে পিলখানার হত্যাকাণ্ডে সূত্র ধরে যে সকল দেশপ্রেমিক চৌকস সেনা অফিসার কে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাদেরকেও সরকারের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধাসহ চাকরিতে পুনঃবহালের জন্য জোর দাবি জানায়।
ঙ। মোট ৭৪ জন সৈনিকের মধ্যে শহিদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ যে সকল বিডিআর সদস্য শহিদ হয়েছেন তাদের পরিবারের প্রত্যেককে সকল প্রকার সরকারি সুযোগ-সুবিধাসহ এবং আমরা শহিদ বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের পুনর্বাসনের জন্য জোর দাবি জানাই।