ঈদের দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত লঞ্চ দুটির রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে।
নৌ-পুলিশের এসপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আশিক সাঈদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
এর আগে দুর্ঘটনা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস জানায়, সদরঘাটের ১১ নম্বর পন্টুনে এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি পূবালী-১ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। বেলা তিনটার কিছুক্ষণ আগে দুটি লঞ্চের মাঝখান দিয়ে ফারহান নামে আরেকটি লঞ্চ পন্টুনে ঢোকানোর সময় এমভি তাশরিফ-৪ লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে গেলে লঞ্চে ওঠার সময় পাঁচজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। তারা হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মো. বেলাল, তার স্ত্রী মুক্তা এবং তাদের ৪ বছর বয়সী মেয়ে মাইশা।
নিহত মুক্তার ভগ্নিপতি জহিরুল ইসলাম জানান, বেলাল গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে সেখানে থাকতেন। ঈদের দিন লঞ্চে করে বাড়ি যেতে বেলাল স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সদরঘাটে এসেছিলেন।
বেলালের বাবা–মা বেঁচে নেই। স্ত্রী–সন্তানসহ তাঁর মৃত্যুতে ওই পরিবারে আর কেউ রইল না বলেও জানান জহিরুল।
নিহত অপর দুজন হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল, পটুয়াখালীর রিপন হাওলাদার।
এসপি আশিক সাঈদ বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যাত্রীদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে এমভি ফারহান এবং এমভি তাশরিফ-৪ লঞ্চ দুটির রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে।