শুক্রবার রাতে কলাবাগান থানার পান্থপথ গ্রিন রোডে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিদা রহমান ঝালকাঠি জেলার সদর থানার রাজপাশা গ্রামের মজিবুর রহমানের স্ত্রী। পরিবার জানিয়েছে, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন।
.png)
নিহতের ছেলে মশিউর রহমান বলেন, আমার বাবা দুই বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে আমার মা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। গতকাল রাতে আমরা খাবার খেয়ে যে যার রুমে চলে যাই। পরে দারোয়ান এসে খবর দেয় উপর থেকে কী যেন পড়ছে। দ্রুত আমরা সবাই আমার মায়ের দরজা খোলার চেষ্টা করে কিন্তু দরজা খোলা যায় না। পরে দরজা ভেঙে দেখি রেলিংয়ের সঙ্গে কাপড় বাঁধা, মা রুমে নেই। পরে নিচে গিয়ে দেখি আমার মা রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে পড়ে আছেন।
তিনি আরো বলেন, আমার মা শাড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে সাততলা থেকে নিচে পড়ে মারা গেছেন।
কলাবাগান থানার ওসি মফিজুল আলম বলেন, রাতে আমরা ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধা হামিদা রহমানের মরদেহ উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, নিহত মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন। রাতে সাততলা থেকে নিজের রুমের পাশের রেলিং দিয়ে শাড়ি বেয়ে নামার সময় নিচে পড়ে মারা যান তিনি। সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অপমৃত্যু মামলা করেছেন।