তিনি বলেন, উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সভায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঢাকা উত্তরের সড়কগুলোর নাম বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে করা হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ডিএনসিসি আয়োজিত মহান বিজয় দিবস-২০২৩ উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
.png)
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যদি কোনো সেবার জন্য উত্তর সিটিতে আসেন তাহলে তাদেরকে কোনো হ্যারাসমেন্ট করা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গে তাদের কথা শুনতে হবে, কাজ করে দিতে হবে। বয়স্ক মুক্তিযোদ্ধাদের যদি প্রয়োজন হয় তাহলে তাদের বাসায় গিয়ে সেবা দিয়ে আসতে হবে। তাদের কোনো কাজে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না।
তিনি বলেন, ডিএনসিসিতে আগে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর ১০ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হতো। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এই কবরস্থানগুলো আমরা সারা জীবনের জন্য সংরক্ষণ করবো। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত কবরস্থান ১০ বছর সংরক্ষণের পরিবর্তে আজীবন বিনামূল্যে সংরক্ষণ করতে পারবেন। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের জন্য দেশ দিয়েছেন, আমরা তাদের জন্য আমাদের আওতায় থাকা সামান্য সেবাটুকু দেবো। মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেনে, তাদের যদি আমরা সম্মান না দেই তাহলে কিসের সিটি কর্পোরেশন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, প্রতি দুই মাসে একদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। প্রতি দুই মাসে শেষ সোমবার একদিন ডিএনসিসির অডিটোরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বসবো। আপনাদের কথা শুনবো। আপনাদের সমস্যা সমাধান করবো। এছাড়া যেকোনো সময় আপনাদের সমস্যা হলে আমার দুয়ার সবসময় আপনাদের জন্য খোলা থাকবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরের মোট ১ হাজার ৩০০ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম প্রমুখ।