খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হক জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে আমরা খবর পেয়ে বিছানায় শোয়ানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, কী কারণে অপু আত্মহত্যা করেছেন তা বলতে পারছে না পরিবারের লোক। ময়নাতদন্ত শেষে প্রতিবেদন রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ বিস্তারিত জানা যাবে।
.png)
মৃতের বাবা আব্দুর রউফ জানান, দুপুরে আমি মসজিদে নামাজে ছিলাম, তার মা রান্না করছিল, সে ছোট বোনকে বলে তুমি গোসল করতে যাও, এরপর তার ঘরে ফ্যানের সাথে লায়লনের রশি পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়ে। পরে ওর মা ঘরে ঢুকে দেখতে পায় গলায় লায়লনের রশি পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায়। তখন ওর মার চিৎকারে প্রতিবেশী এক যুবক সহ আমরা তাকে নিচে নামিয়ে থানায় খবর দেই। এর পর খিলগাঁও থানা পুলিশ এসে লাস উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে খিলগাঁও চৌরাস্তায় এমপোল ফার্মেসিতে কর্মরত ছিল। সেখানে তার বেতন ছিল ১৪ হাজার টাকা। তার বেতনের টাকায় আমাদের সংসার চলত। আমি হার্টের পেশেন্ট। টুকিটাকি কাজ করি। আমার ছেলের কোনো বাজে নেশা ছিল না এবং কোনো মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কও ছিল না। তারপরও কেন এই ঘটনাটি ঘটালো বুঝে উঠতে পারছি না।
তিনি বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর থানার লক্ষ্মীপুর গ্রাম। বর্তমানে খিলগাঁও দক্ষিণ গোড়ানের ১৫২ নম্বর বাসা। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সে বড় ছিল।