শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
গ্রেফতার বাকি দুজন হলেন- ইসমাইলের সহযোগী মো. জসিম (৩৫) ও মো. এলাহী (৫০)। গ্রেফতাকৃতরা মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেছে।
.png)
র্যাব জানায়, এর আগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা থেকে ১৯ যুবককে মিয়ানমারে আটকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেখানে বন্দিদশায় নির্যাতনে জহিরুল নামে এক ব্যক্তি মারাও যান।
র্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, চলতি বছরের ১৯ মার্চ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এলাকার ১৯ যুবক মানবপাচার চক্রের মাধ্যমে টেকনাফ থেকে নৌপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় মিয়ানমারের কোস্টগার্ড কর্তৃক আটক হয়। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল আবুল কামলাম আজাদ বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় মানবপাচার আইনে একটি মামলা করেন। গত ১০ জুলাই নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে স্বজনদের ফিরে পেতে সরকারি উদ্যোগ নেয়ার আবেদন করা হয়।
গ্রেফতাকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, ২০০১-২০০৫ পর্যন্ত মালয়েশিয়া অবস্থানকালীন ইসমাইলের সঙ্গে মিয়ানমারের আরাকানের নাগরিক (রোহিঙ্গা) রশিদুল ও জামালের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে। পরে সমাইল দেশে ফিরে রোহিঙ্গা রশিদুল এবং জামালের যোগসাজশে ১০-১২ জনের একটি মানবপাচার চক্র গড়ে তোলে। সে প্রায় ১০-১২ বছর ধরে মানব পাচারের এই চক্রটি পরিচালনা করে আসছিল।
তিনি আরো বলেন, ইসমাইল নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করে এই চক্রের দেশে এবং বিদেশে অবস্থিত অন্য সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধভাবে মানবপাচার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে সে কারাভোগও করে।