মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী অভিযুক্ত সোহেল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মীমের বোন তন্নিকা বলেন, চার বছর আগে প্রেম করে সোহেলকে বিয়ে করে আমার বোন। তাদের দুই বছরের একটি ছেলেও আছে। বিয়ের পর থেকেই মিমকে সোহেল মিয়া বিভিন্নভাবে নির্যাতন করত। মঙ্গলবার দুপুরে তার (সোহেল) গোপন জায়গায় একটি বিষফোঁড়া উঠেছে বলে আমার বোনকে বাথরুমে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সে বাথরুম থেকে বের হয়ে আমাকে বলে, আমি ওষুধ কিনতে গেলাম।
.png)
পাশের এক প্রতিবেশী দেখতে পায় আমার বোন মীম বাথরুমের ভেতরে উপুড় হয়ে পড়ে আছে। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো বলেন, আমার বোনের গলায় কালো দাগ রয়েছে। চিকিৎসক ধারণা করছেন, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বাড়ি ঝালকাঠি জেলায়।
কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে রাখা হয়েছে।