নিহত কনস্টেবল মাজহারুল ইসলাম রানা পুলিশের অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের ডিসিপ্লিন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ কোয়ার্টারের ৩ নম্বর ভবনের নিচতলা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঐ বাসায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
.png)
নিহত কনস্টেবল মাজহারুলের ভগ্নিপতি আবুল বাশার বলেন, গতকাল দুপুরেও বাড়িতে স্বজনদের সঙ্গে মাজহারুল কথাবার্তা বলেছে। আমরা তো এমন কিছু জানতে পারেননি যে আত্মহত্যা করতে পারে। সে ছয় বছর যাবৎ চাকরি করছিল।
নিউমার্কেট থানার ওসি সফিকুল গণি বলেন, কোয়ার্টারের এক বাসিন্দার কাছে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মাজহারুলকে কক্ষের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। পাশেই একটি চেয়ার ছিল। আর সিলিংফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচানো ছিল। পরে মাজহারুলকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার গলায় দাগের রয়েছে।
ওসি আরো বলেন, মাজহারুলের মুঠোফোন পরীক্ষা করে দেখা যায়, বুধবার রাত দুইটা পর্যন্ত তিনি স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই মৃত্যু নিয়ে পুলিশের সন্দেহ রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে।