ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেলের যেখানে সবসময় ছায়া থাকে, সেখানে সেই ধরনের গাছ লাগানো হবে। যেখানে বেশি রোদ পড়ে, সেখানে রোদসহিষ্ণু গাছ লাগানো হবে। এসব গাছ দীর্ঘস্থায়ী হবে।
এদিকে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল রুটে এরই মধেই গাছ লাগানো শুরু হয়েছে। ভায়াডাক্টের ওপর দিয়ে চলবে মেট্রোরেল কোচ। মেট্রোরেলের সড়কজুড়ে সৌন্দর্য্যবর্ধনের জন্য পাতাবাহার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছও লাগানো হবে।
.png)
ডিএমটিসিএল জানায়, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের মাঝখানের জায়গা পুরো জমি কাজে লাগানো হবে। স্থায়ীভাবে গাছগুলো লাগানো হবে। এসব গাছ বেশি বড় হবে না। অনেকটা বনসাই টাইপের হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, মেট্রোরেলের পথজুড়ে পাতাবাহার, কাঞ্চন, করবী, গন্ধরাজ, কুর্চি, রাধাচূড়া, হৈমন্তী, টগর, সোনালু, কৃষ্ণচূঁড়া, কদম, বকুল, পলাশ গাছ লাগানো হয়েছে। এখন বিভিন্ন বনসাই প্রজাতির গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) উপ-প্রকল্প (উপসচিব) পরিচালক (ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন) শান্তি মনি চাকমা বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মেট্রোরেলের মিডিয়ামজুড়ে ১২ প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। এগুলো অনেকটাই বনসাই জাতীয় গাছ। মাটি ও আবহাওয়ার কথা চিন্তা করেই এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
রাজধানীর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করছে মেট্রোরেল। অফিসগামী যাত্রীদের সুবিধার্থে আগামী ৩১ মে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল। আর জুলাই মাসে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশেও পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেল চালানো হবে।