ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

মেট্রোরেলে ঢিল: নজরদারিতে চার ভবন, ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:০১, ১০ মে ২০২৩
মেট্রোরেলে ঢিল: নজরদারিতে চার ভবন, ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ
ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চারটি বাণিজ্যিক ভবনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ঐ চার ভবনের ওপর নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মধ্যে চারটি ভবনের ২০ জনকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া ২০ জনের মধ্যে একজন ঢিল ছুড়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেননি।

জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টা ৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে শেওড়াপাড়া এলাকায় মেট্রোরেল লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। মেট্রোরেলের ভেতরে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঢিল ছোড়ার সময় ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। ফুটেজ দেখে চারটি বাণিজ্যিক ভবন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। ঐ সময় ভবনে কারা ওঠা-নামা করেছেন, সেই তালিকাও করে পুলিশ। তাদের মধ্যে ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের জেরা করা হয়। যে ঢিল ছোড়া হয়েছে, সেই আলামতও ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Advertisement

বুধবার বিকেলে কাফরুল থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারটি ভবন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ঐ চার ভবনের অন্তত ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ২০ জনের মধ্যে যেকোনো একজন মেট্রোরেলে ঢিল ছুড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। শিগগির জড়িতকে শনাক্ত করা হবে।

ঢিল ছুড়ে মেট্রোরেলের জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনায় মেট্রোরেল আইনে প্রথমবারের মতো মামলা হয়েছে। ‘মেট্রোরেল আইন ২০১৫’-এর ৩৫ ও ৪৩ ধারাসহ দণ্ডবিধির ৪২৭ ধারায় কাফরুল থানায় এ মামলা করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। মামলায় একাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢিল ছোড়ায় মেট্রোরেলের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মেট্রোরেল আইনের যেসব ধারায় মামলা হয়েছে, এর মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা। সর্বনিম্ন শাস্তি দুই বছরের কারাদণ্ড। মেট্রোরেলে ঢিল নিক্ষেপকারীদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেদিকে নজর রাখছে রাষ্ট্রপক্ষ। তারা চান, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। যেন ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধে না জড়ান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!