রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন পোস্টে নিষেধাজ্ঞা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে—এমন পোস্ট, ছবি, অডিও-ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক ও শেয়ার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
.png)
নোটিশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশনা-২০১৯’ অনুসরণের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় রাজনৈতিক মতাদর্শ বা রাজনৈতিক আলোচনা-সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রচার, জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনো তথ্য প্রকাশ এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে—এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হতে পারে—এমন কনটেন্ট প্রকাশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সেবা বা পেশাকে হেয় করে এমন পোস্ট এবং জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব তৈরি করতে পারে—এমন তথ্য প্রকাশ থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার এবং আদালত ও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা বা কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ না নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ধারা ৪৭(৮) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ২(খ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থী আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার পাশাপাশি প্রচলিত অন্যান্য আইনের আওতায়ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।