শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে বেশ কয়েকজনকে দেখা গেছে মাথায় বাদাম-ছোলাসহ বিভিন্ন খাবার ফেরি করে বিক্রি করছেন। এছাড়া মুক্তমঞ্চে পানি ফেরি করতে দেখা গেছে অনেককে। অভিযোগ রয়েছে, এসব বাদাম বিক্রেতাদের মধ্যে কেউ সিগারেটও সরবরাহ করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে এক শিক্ষার্থী বলেন, এসব বাদাম, কফি, পানি বিক্রেতার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রাচীর টপকে মেলাতে ঢোকে। এদের ভেতর পুলিশ বা আনসার ধরে ফেললে বাহিরে পাঠিয়ে দেয় কিন্তু পাঠিয়ে দেয়ার ফলে পরে কোন না কোন ভাবে তারা আবার হাজির হয়।
.png)
ওই শিক্ষার্থী আরো বলেন, বাদামের অবাধ ফেরির ফলে মেলা যথেষ্ট নোংরা হয়ে পড়ছে। মেলা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিত হবে তারা যেন এ বিষয়ে অনেক কঠোর হন।
এদিকে বাংলা একাডেমির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও রিসিভ না করাতে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ রিপোর্ট লিখাকালীন সময়ে ছবিতে থাকা এক ঝাল মুড়ি বিক্রেতাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রাচীর পার হতে দেখা যায়। মিনিট দুয়েক যেতে না যেতেই মেলা প্রাঙ্গণ ছেড়ে যেতে বাধ্য করেন কতিপয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে, পুলিশের একজন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এই মুহূর্তে কথা বলা সম্ভব না।
উল্লেখ্য, এবারের মেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলায় ৩৭টি (একাডেমি প্রাঙ্গণে একটি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি) প্যাভিলিয়ন রয়েছে।
এবার লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে প্রায় ১৭০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মাস জুড়ে অমর একুশে বইমেলার সপ্তাহে দুইদিন শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়কে শিশুপ্রহর ঘোষণা করেছে বাংলা একাডেমি। এছাড়া প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা, বিকেল সাড়ে ৩টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনটি করে শো করার কথা রয়েছে সিসিমপুরের।