কিশোর রহস্য উপন্যাসের নাম ‘শ্মশানবাড়ি রহস্য’। বইটি প্রকাশ করেছে ছোটদের বইয়ের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান রুমঝুম। মেলায় বইটি পাওয়া যাবে ৩৩০ নম্বর স্টলে। প্রেমের উপন্যাস ‘ফাঁদ’ প্রকাশ করেছে দুয়ার প্রকাশনী। মেলায় ৩৫৬ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে উপন্যাস।
ফাঁদ উপন্যাসের মূল চরিত্র কলেজ পড়ুয়া নীলা। সে ছোট থাকতেই মাকে হারিয়েছে। এক সময় জানতে পারে বাবা-খালা মিলে ওর মাকে খুন করেছে। বাবা ও খালার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নীলা মায়ের খুনের প্রতিশোধ নিতে চাই। খুন করতে চায় বাবা ও খালাকে। কিন্তু নিজেই পরকীয়া প্রেমের ফাঁদে পড়ে ফেঁসে যায়। নীলাকে ব্লাকমেল করে বাবা ও খালা। নীলা আরো প্রতিশোধপ্রবণ হয়ে ওঠে। খুন করবে প্রেমিক ও বাবাকে। সে তৈরি করে আরেক ফাঁদ।
.png)
ফাঁদ নিয়ে রবিউল কমল বলেন, প্রেম, প্রতারণা, পরকীয়া, প্রতিশোধ ও খুনের গল্প ফাঁদ। এই গল্পের সঙ্গে কারো মিল খুঁজবেন না দয়া করে। কারণ ফাঁদের সব চরিত্র কাল্পনিক। তবুও কারো চরিত্রের সঙ্গে মিলে গেলে তা কাকতালীয়।
অন্যদিকে শ্মশানবাড়ি রহস্য হলো কিশোর রহস্য উপন্যাস। এই বইয়ে একদল দুরন্ত কিশোরের গল্প উঠে এসেছে। তারা সবাই আন্দপুর স্কুলের শিক্ষার্থী। হঠাৎ করেই তাদের দুই বন্ধু নিখোঁজ হয়ে যায়। তার আগে নিখোঁজ হবে তাদেরই অংক স্যার। কিন্তু তাদের কোথায় আটকে রাখা হয়েছে তা কেউ জানে না। দুই বন্ধুকে উদ্ধারে অভিযানে নামে ছয় বন্ধু্। ওরা দুর্গম পাহাড়ে উঠতে শুরু করে। তারপর এক গুহার মাধ্যমে পৌঁছে যাবে শ্মশানবাড়িতে। এই অভিযানে তাদের প্রতি পদে পদে বিপদের সম্মুখীন হতে হবে। একসময় তাদের সবাইকে সেখানে আটকে ফেলে দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে সবার উদ্ধার হওয়ার গল্প শ্মশানবাড়ি রহস্য।
কিশোর উপন্যাস নিয়ে লেখক বলেন, এই বইটা কিশোরদের ভালো লাগবে। বিশেষ করে যারা অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করে। খুব সহজ-সরল ভাষায় বইটি লেখার চেষ্টা করেছি। কতটা ভালো করেছি, সেটা পাঠকরাই বলতে পারবে।