আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে যাত্রীদেরকে ‘অতিরিক্ত’ এ টাকা গুণতে হবে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।
তবে বর্তমানে এ বন্দর দিয়ে ভারতে যাতায়াত করতে ভ্রমণ কর বাবদ প্রত্যেক যাত্রীকে ৫০০ টাকা হারে ফি দিতে হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারিত রশিদে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এ টাকা আদায় করছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ওই রশিদ দিয়ে নাম তালিকাভুক্ত করতে হয়।
.png)
এদিকে বন্দর ব্যবহারের জন্য প্রত্যেক যাত্রীকে নির্ধারিত হারে ফি দেয়ার নিয়ম রয়েছে। একাধিক বন্দরে এটা চালু থাকলেও আখাউড়ায় তা ছিল না। নতুন এ নিয়ম চালু হলে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে ৪৫ টাকা হারে ফি দিতে হবে।
আখাউড়া স্থলবন্দররে রাজস্ব কর্মর্কতা মো. হারুনুর রশিদ জানান, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ চাইছেন তাদের ফি’র পাশাপাশি ভ্রমণ করও একই জায়গা থেকে নিতে। এটা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নির্দেশনা দিলে তা কার্যকর করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।