শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার গিরিমৈত্রী সরকারি ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন ধর্মঘর এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোররাতের দিকে ধর্মঘর এলাকায় হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান তারা। মুহূর্তেই আগুন দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা পাশের লক্ষ্মীছড়ি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে লক্ষ্মীছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
.png)
তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুনে একটি ফার্মেসি ও তিনটি চায়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পল্লিচিকিৎসক আথুইশে মারমা বলেন, তার ফার্মেসিতে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ওষুধ ছিল। আগুনে ফার্মেসির সব ওষুধ ও মালামাল পুড়ে গেছে। এতে তিনি একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
আথুইশে মারমার ধারণা, পাশের একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, মানিকছড়িতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট আসতে হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ফায়ার সার্ভিসের ব্যবস্থা থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমানো সম্ভব হতো।
মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পাশের লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে তাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওসি জানান, অগ্নিকাণ্ডে ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নিরূপণ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত ও যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।