ইজতেমার আয়োজক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম জানান, বিয়ে পড়ানোর সময় মূল বয়ান মঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন বরেরা। আর কনেরা নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সম্পূর্ণ শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ের কার্যক্রম শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে খুরমা-খেজুর বিতরণ করা হয়। এ সময় নবদম্পতিদের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়।
২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার মাঠে যৌতুকবিহীন বিয়ে পড়ানো বন্ধ ছিল বলে জানা গেছে।
.png)