পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদরাসার সুপার জাকির হোসেনকে দুই বছর ও নিজা আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থীকে এক বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও লিমা আক্তার, রাবেয়া সুলতানা, ময়না আক্তার, হাসিনা বেগম, নাজমুন নাহার, বিবি খাদিজা, সুমা বেগমসহ নয়জনের বয়স কম হওয়ায় তাদের ভোলা আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন জেলা অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম।
তিনি জানান, দৌলতখান উপজেলার জয়নগর বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাকির হোসেন মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দশম শ্রেণির নয়জন ও বহিরাগত একজন দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী আসল পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ছবি পরিবর্তন করে অভিযুক্তরা কেন্দ্রে হাদিস দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এ সময় তাদের রেজিস্ট্রশন কার্ডের ছবি সন্দেহ হলে আটক করা হয়।
.png)
পরে ওই শিক্ষার্থীরা সব স্বীকার করলে মাদরাসা সুপার জাকির হোসেনকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদরাসা সুপারকে দুই বছর, এক ভুয়া পরীক্ষার্থীকে এক বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। বাকি নয়জনকে ভোলা আদালতে পাঠানো হয়।