ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

খুলনায় সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-ব্যবসায়ীসহ ৭ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৪৯, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খুলনায় সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-ব্যবসায়ীসহ ৭ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখায় আর্থিক অনিয়মের মামলায় ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এক ব্যবসায়ীকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে আরও দুই বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. ওয়াহেদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াসিন আলী।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস, সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর করপোরেট শাখার সাবেক গোডাউন কিপার মো. মতিয়ার রহমান, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রুহুল আমিন, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সাবেক অফিসার অজিত কুমার সরকার।

Advertisement

আদালতের অভিযোগ গঠনের নথি অনুযায়ী, মামলার আসামি সনজিৎ কুমার দাস পলাতক। তিনি খুলনা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রিমিসেস লিমিটেড (ইস্পাহানী), ভিসি রোড, দৌলতপুরে মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্স পরিচালনা করতেন। তাঁর পিতার নাম মৃত শ্রীপতি কুমার দাস। তাঁর গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার কৃষ্ণপুরে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সনজিৎ কুমার দাসের সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আর্থিক অনিয়ম করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সাত আসামিকেই দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখায় সংঘটিত আর্থিক অনিয়মের মামলাটির বিচারিক নিষ্পত্তি হলো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/DB-M-02
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!