ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: সোনাগাজীতে অর্ধশত আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত
আম্ফান মোকাবিলায় ফেনীর সোনাগাজীতে অর্ধশত আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার সব সরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতিতে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানরতদের জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
ইউএনওর কার্যালয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক ও সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
.png)
ইউএনও অজিত দেব বলেন, দূর্যোগ মোকাবিলায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনাসহ জনগনকে সতর্ক করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় সোনাগাজীতে অর্ধশত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রসহ উপজেলার সব বিদ্যালয়কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলায় একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে এবং ১১টি চিকিৎসক দল, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দূর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতাসহ বিভিন্ন কাজের জন্য সিপিপির দেড় হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ দুই হাজার কর্মী প্রস্তুত রয়েছেন। রাখা হয়েছে শুকনো খাবার। এছাড়া বর্তমান বোরো মৌসুমে মাঠে থাকা ধানগুলো দ্রুত কেটে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে কৃষকদেরকে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতির কর্মসূচীর (সিপিপি) উপজেলা দল নেতা শান্তি রঞ্জন কর্মকার বলেন, ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে উপজেলার সর্বত্র সিপিপির সদস্যরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। প্রতিটি এলাকায় জনগনকে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে সর্তক করে জানমাল ও গবাদি পশু নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদেরকে দূর্যোগকালীন সময়ে নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।