ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের খবরে জানা যায়, দেশটিতে লকডাউনের পর কারখানা খুললে এই বর্ধিত ‘ওয়ার্কিং আওয়ার’ কার্যকর হতে পারে। তবে কাজের সময় বাড়লে সেই অনুপাতে পারিশ্রমিক বাড়বে কি না, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়।
জানা গেছে, করোনা প্রকোপের জেরে বহু শ্রমিকই নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছে। এমন অবস্থায় লকডাউন উঠে গেলেই যে তারা কাজে যোগ দিতে পারবেন, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাছাড়া, লকডাউন উঠে গেলেও সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ এখনই ওঠার সম্ভাবনা কম, ফলে কম শ্রমিক দিয়েই কাজ চালাতে হবে কারখানাগুলোতে। এমন অবস্থায় পণ্যের চাহিদা পূরণ দিতে গেলে কাজের সময় বাড়াতে হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
.png)
সম্প্রতি কেন্দ্রের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কয়েকটি কমিটির বৈঠকেও এ বিষয়ে একমত হয়েছেন পদস্থ আমলারা। পাশাপাশি, দেশের কিছু শ্রমিক সংগঠনের তরফেও সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। তারপরই অর্ডিন্যান্স আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তবে বর্তমানে দেশটি যে ফ্যাক্টরি আইন রয়েছে তাতে কোনো পূর্ণবয়স্ক শ্রমিককে দিয়ে দিনে সর্বাধিক ৮ ঘণ্টা কাজ করানো যেতে পারে। সেই আইনেই সংশোধনী আনা হবে। রাজস্থান সরকার অবশ্য এরইমধ্যে কাজের সময় বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করে দিয়েছে। জানা গেছে, একই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে পাঞ্জাবও। মূলত অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের জোগান বজায় রাখার জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকারগুলো।