চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছাত্রীদের পাঁচটি আবাসিক হলে আগে থেকেই পাঁচটি ফ্রিজ ছিল। এর পরও নতুন করে ওই হলগুলোতে আরও ১০টি ফ্রিজের ব্যবস্থা করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) জিএস ও এজিএস। বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নয়টি আবাসিক হলের কোনোটিতেই ফ্রিজের ব্যবস্থা নেই। নতুন করেও এসব হলে কোনো ফ্রিজ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব ব্যক্তিগত অর্থায়নে ছাত্রীদের পাঁচটি হলের জন্য পাঁচটি ফ্রিজের ব্যবস্থা করেন।মঙ্গলবার চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের মাধ্যমে আরও পাঁচটি ফ্রিজ সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো ছাত্রীদের হলগুলোতে বিতরণ করা হয়।
.png)
সরেজমিনে জানা গেছে, ছাত্রীদের পাঁচটি হলে আগে থেকেই পাঁচটি ফ্রিজ ব্যবহারের সুযোগ ছিল। এর পরও নতুন করে আরও ১০টি ফ্রিজ সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদের নয়টি আবাসিক হলে দীর্ঘদিন ধরেই ফ্রিজের কোনো ব্যবস্থা নেই। নতুন বরাদ্দেও এসব হলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করছেন। তাদের অভিযোগ, যেখানে ছাত্রদের হলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজের সুবিধা নেই, সেখানে আগে থেকেই ফ্রিজ থাকা ছাত্রীদের হলগুলোতে নতুন করে ১০টি ফ্রিজ দেওয়া হয়েছে।
চবির শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ছাত্ররা বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন। চাকসুর জিএস ও এজিএসের এমন একপেশে সিদ্ধান্ত কাম্য নয়। বাড়ি থেকে আনা খাবার ফ্রিজের অভাবে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। তাই দ্রুত ছাত্রদের আবাসিক হলগুলোতেও ফ্রিজের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে চাকসুর ভিপি, জিএস ও এজিএসের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন স্পন্সরের সহযোগিতায় ছাত্রদের আবাসিক হলগুলোতেও ফ্রিজের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন তারা।