চিকিৎসক কিথ মরথমেন বলেন, ৫০ বছরের অধিক এক লোক জ্বর ও কাশি নিয়ে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন। যা ছিল অন্যান্য সাধারণ রোগীর মতো। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়ার পর ওই রোগীকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। এতে তার শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণ ক্রমাগত কমতে থাকে। এর আগে হাসপাতাল ও সার্জিকেল থিয়েটারে তাকে সিটি স্ক্যান করা হয়।
ওই রোগীর শরীরে ভারচুয়াল রিয়ালিটিতে (ভি আর) ভয়াবহ ভিডিও চিত্র দেখা যায়। চিকিৎসক বর্ণনা করেন যে, রোগীর ফুসফুসের সামনের পেছনে ও দুই পাশে হলুদ রং এবং অন্যান্য অংশে নীল রংয়ের আভা দেখা যাচ্ছে।নীল রংয়ের অংশটির ফুসফুসে সুস্থ অবস্থায় রয়েছে। আর হলুদ অংশটির ফুসফুসে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণে নষ্ট হয়ে গেছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, অ্যামোনিয়া ফুসফুসের একটি অংশে আক্রমণ করতে পারে। যা সাধারণ ফ্লুর মতো মনে হবে। যদি কোভিড-১৯ ছড়ায়, তবে ফুসফুসের অনেক অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।যা ভিডিওতে দেখানো হয়েছে।
চিকিৎসক কিথ মরথমেন বলেন, এ চিত্র শুধু মেডিকেল কর্মীদের প্রদর্শনের জন্য নয়, ভিডিও চিত্র সবার সামনে তোলে ধরা উচিত। এতে মানুষ সচেতন হবে। কোভিড-১৯ সম্পর্কে মানুষের চোখ খুলবে।
তিনি আরো বলেন, প্রত্যেককে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা সর্ম্পকে জানাতে হবে। যাতে তারা বাড়িতে পার্টি বা জনসমাগমে যাওয়ার আগে ভাবতে পারেন।
সূত্র-সিএনএন