ঢাকা,  সোমবার   ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

[ খেলা ]

আইপিএল একটি অর্থলিপ্সু ক্রিকেট লিগ: অ্যালান বর্ডার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:০৩, ২৩ মে ২০২০
আইপিএল একটি অর্থলিপ্সু ক্রিকেট লিগ: অ্যালান বর্ডার
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যালান বর্ডার

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগের মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল)। বিশ্বের সবচেয়ে আর্কষণীয়-দামি এ টুর্ণামেন্ট। তবে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যালান বর্ডারের কাছে আইপিএল নেহাতই একটি অর্থলিপ্সু, অর্থ দখলকারী একটি ক্রিকেট লিগ!

চলতি বছর অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত  হওয়ার কথা। তবে করোনাভাইরাসের কারণে হবে কিনা- তা নিয়ে এখন বড় সংশয়। সার্বিক যা পরিস্থিতি তাতে এই বিশ্বকাপ না হওয়ার আশঙ্কাই  বেশি। আর বিশ্বকাপ না হলে সেই খালি সময়টা দখলের জন্য একেবারে ওঁত পেতে আছে আইপিএল।  ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা-ব্যক্তিরা জানিয়েও দিয়েছেন- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না হলে সেই সময়টায় আইপিএলের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। 

এই প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার একটি রেডিওতে সাক্ষাৎকারে অ্যালান বর্ডার বেশ রাগের সঙ্গেই বলেন, যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না হয়, তাহলে আইপিএলও হবে না। যদি হয় তবে আমি সেই ব্যাপারে বড় প্রশ্ন রাখব। এটা তো (আইপিএল) শুধু অর্থ দখলদারী একটা টুর্নামেন্ট, তাই নয় কি?’

বিস্তারিত ব্যাখ্যায় বর্ডার আরো বলেন, বিশ্বকাপের মতো ইভেন্ট অবশ্যই স্থানীয় পর্যায়ের কোনো টুর্নামেন্টের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাওয়া উচিত। অবশ্যই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত। যদি বিশ্বকাপ স্থগিত করে আইপিএলের আয়োজন করা হয় তাহলে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড যেন অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের আইপিএলে খেলা বন্ধ করার ব্যবস্থা করে।

আইপিএলে প্যাট কামিন্স, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ডেভিড ওয়ার্নাররা বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোতে মোটা অঙ্কের চুক্তিতে খেলেন। 

প্যাট কামিন্স এবারের আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার। ১৫ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে তাকে এবার দলে টেনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

আইসিস’তে ভারতের প্রভাবের কথা ভালোই জানা আছে অ্যালান বর্ডারের। আইসিসি’র আয়ের সবচেয়ে বড় অংশটা আসে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কাছ থেকেই। সেই প্রসঙ্গে বর্ডার জানান- ‘আইসিসি’র আয়ের শতকরা ৮০ ভাগ অর্থ যোগান দেয় ভারত। জানা কথা আইসিসিতে ভারতের প্রভাবও ব্যাপক। কিন্তু তাই বলে আন্তর্জাতিক খেলার চেয়ে স্থানীয় কোনো টুর্নামেন্টকে গুরুত্ব দেয়াটা মোটেও মানানসই কোনো কিছু হবে না। এটা হবে বড় ভুল। এটা হতে দেয়া যায় না’।

আইপিএলের ১৩তম আসর এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়ার কথা ছিল। করোনাভাইরাসের কারণে ভারত এই টুর্নামেন্ট স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। ভারত জানিয়েছে- আইপিএল বাতিল হলে সব মিলিয়ে তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে সাড়ে তিন হাজার কোটি রূপি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!