ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, নির্দেশ অনুযায়ী ওই যুবককে জনসম্মুখে এনে বেত্রাঘাত শুরু করেন ইন্দোনেশিয়ার এক শরিয়াহ কর্মকর্তা। ১০০ বেত্রাঘাতেই জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন ওই যুবক।
বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে এ ঘটনাটি ঘটে।
.png)
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বেত্রাঘাত সহ্য করতে না পেরে ওই যুবক জ্ঞান হারান। পরে একটু বিরতি দিয়ে সামান্য চিকিৎসা শেষে আবারো বেত্রাঘাতের পূর্ণাঙ্গ সাজা কার্যকর করা হয় তার।
এএফপি’র খবরে বলা হয়, এক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে ওই যুবককে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আচেহ প্রদেশের তিমুর জেলার একটি মসজিদের বাইরে অভিযুক্ত নারীকেও একই সঙ্গে ১০০ বেত্রাঘাত করা হয়। তবে এই যুবক ছাড়াও অন্য এক পুরুষের সঙ্গে ওই নারীর অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে।
বেত্রাঘাতের এ সাজা কার্যকরের দৃশ্য দেখার জন্য সেখানে পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিল। এ সময় অনেকে আরো কঠোর সাজার দাবি জানিয়ে চিৎকার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, আইন লঙ্ঘন করলে তাদেরও একই ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের রক্ষণশীল আচেহ প্রদেশে কট্টর ইসলামী আইন চালু রয়েছে। এ আইনে জুয়া খেলা, মদপান, সমকামিতা কিংবা বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক লিপ্ত হলে অভিযুক্তদের জনসম্মুখে এনে বেত্রাঘাতের সাজা দেয়া হয়।