হ্যামিল্টন টেস্টের তৃতীয় দিনে স্টোকসকে পুরনো চোটে পড়ার পর চরম হতাশায় ভেঙে পড়েন। এ সময়য় তিনি মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। ইংলিশদের দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ব্যাটিংইয়েও নামতে পারেননি। গত আগস্টে বোলিংয়ের সময় একই ঘটনার শিকার হন। দুই মাসের পুনরুদ্ধারের সময় চারটি টেস্ট খেলতে পারেননি এই অলরাউন্ডার।
অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার চলতি বছরের শুরুরে হাঁটুর অস্ত্রোপচার থেকে মাঠে ফিরে আসার সময় দীর্ঘ পুনর্বাসনের ভেতর ছিলেন। এবারের চোট তাকে সেই অতীত নিয়ে ভাবতে বাধ্য করেছিল বলে জানান। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই গতকাল মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ায় আমি চরম হতাশ পুরো বিষয়টি বেশ আবেগপ্রবণ হওয়ার মতো ছিল।’
.png)
তবে রাতের সুন্দর ঘুম ও আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত টেস্ট ম্যাচ না থাকা স্টোকসকে মানসিকভাবে স্বস্তি দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্টোকস। ঐ সময় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লাল বলের ক্রিকেটে একটি ম্যাচের পর ভারতের সঙ্গে পাঁচ ম্যাচ টেস্ট সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড।
ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের আগে নিজের পরিপূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিতের পরিকল্পনা করছেন থ্রি লায়নদের অধিনায়ক। বোলিংয়ের উপর চাপ না কমানোর বিষয়টি তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
‘যখন আপনি আবেগকে দূরে সরিয়ে রাখেন, যখন বুঝতে পারেন খেলার পথে হাঁটছেন, তার মানে সবসময় নিজেকে চোটের ঝুঁকিতে রাখছেন। আমি খেলাটিতে যে ভূমিকা পালন করেছি এবং সেজন্য নিজেকে সেই অবস্থানে আনতে আমি সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাগুলোর একটি চোট। তবে না, আমি বোলিং করা থেকে সরে আসছি না।’