নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৩৪৭ রানের জবাবে ইংল্যান্ড মাত্র ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায়। ২০৪ রানের লিড পেলেও ব্ল্যাক ক্যাপসরা প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করায়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৫৩ রানের পুঁজি পায়। ইংলিশরা ৬৫৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় ২৩৪ রানেই গুটিয়ে যায়। এই ম্যাচে হারলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ থ্রি লায়নদের দখলেই গেছে।
সাউদি ১০৭ টেস্টের ক্যারিয়ারে ৩০.২৬ গড়ে নিয়েছেন ৩৯১ উইকেট। ব্যাট হাতে করেছেন ২,২৪৫ রান। টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বাধিক ৯৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। বেন স্টোকস (১৩৩), ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম (১০৭) আর অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (১০০) ছাড়া আর কেউ ১০০টি ছক্কার মাইলফলকে পা রাখতে পারেননি।
.png)
পরাজয়ের প্রহর গুনতে থাকা সফরকারীরা ২ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) চতুর্থ দিনের খেলা আরম্ভ করে। সাউদি আগের দিন বেন ডাকেটকে বোল্ড করেছিলেন। আজ পেয়েছেন জ্যাকব বেথেলের উইকেট।
তৃতীয় উইকেটে বেথেল ও জো রুট ১০৪ রানের জুটি গড়েছিলেন। মিচেল স্যান্টনারের শিকার হওয়ার আগে রুট করেন ৫৪ রান। হ্যারি ব্রুক দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন। প্রথম ইনিংসে তাকে শূন্য রানে ফেরানো উইলিয়াম ও’রুর্ক এবার তাকে এক রানের বেশি করতে দেননি।
বেথেল ৭৬ রানের ইনিংস খেলার পর ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে গ্লেন ফিলিপসের ক্যাচ হয়ে ফেরেন। তিনি সাউদির টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বশেষ শিকারে পরিণত হন।
গাস অ্যাটকিনসন ছাড়া আর কেউ ইংল্যান্ডের হয়ে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার ৪১ বলে ৪৩ রান করেন। চোটের কারণে বেন স্টোকস ব্যাট করতে না নামায় ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস ৯ উইকেট পতনের পরই থেমে যায়।
ম্যাচে ৭ উইকেট এবং প্রথম ইনিংসে ৭৬ রানের ইনিংস খেলায় ম্যাচ সেরা স্যান্টনার। তিন ম্যাচে ৩৫০ রান সংগ্রহ করায় সিরিজ সেরা খেলোয়াড় ব্রুক।