বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) আইসিসির নতুন চেয়ারম্যা জয় শাহর অধীনে প্রথম সভা হওয়ার কথা ছিল। যার জন্য বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি দুবাই আইসিসির কার্যালয়ে হাজির ছিলেন। কিন্তু আজকের সভাও স্থগিত হয়ে যায়।
পাকিস্তানের এক গণমাধ্যম সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আগামী ৭ ডিসেম্বর আবারো সভায় বসবে আইসিসি। পাকিস্তানের অবস্থানের বিষয়ে ভারত প্রতিক্রিয়া না জানানোয় সিদ্ধান্ত আসতে বিলম্ব হচ্ছে।
.png)
পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি সভায় যোগ দিতে আজ দুবাইয়ে পৌঁছান। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে তিনি আশাবাদী ছিলেন।
আগামী বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পিসিবির প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসার কথা রয়েছে। কিন্তু বিপত্তি বেধেছে ভারত পাকিস্তানে খেলতে যেতে না চাওয়ায়। এরই মধ্যে বিসিসিআই আইসিসিকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি রাজিব শুক্লা জানান, সরকার চায় না বলেই পাকিস্তানে দল পাঠানো হবে না। এরপর পাকিস্তান দিয়ে রাখে শর্ত।
দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন, যদি এ বারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাইব্রিড মডেলে আয়োজন করা হয় এবং ভারত পাকিস্তানে না আসে, তা হলে ২০৩১ পর্যন্ত আইসিসির যেসকল প্রতিযোগিতা ভারতে আয়োজিত হবে তার সবকটায় পাকিস্তানের জন্য হাইব্রিড মডেল রাখতে হবে।
আগামী বছর নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও পুরুষদের এশিয়া কাপের আয়োজক ভারত। ২০২৬ সালে পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের আয়োজক যৌথভাবে ভারত ও শ্রীলংকা। পাকিস্তানের শর্ত মানলে, এসব টুর্নামেন্ট আয়োজনে ভারতের একক সত্ত্ব থাকবে না।