শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফুটবলাররা যমুনায় প্রবেশ করেন। এরপর তাদের সংবর্ধনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎ শেষে বাফুফে ভবনে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও ম্যানেজার মাহমুদা আক্তার অনন্যা।
সাবিনা বলেন ‘আমাদের পরিবারের অনেকে ঢাকায় আসে, কিন্তু তাদের থাকার জায়গা থাকে না। তাই প্রধান উপদেষ্টাকে আমাদের পরিবারের জন্য একটি আবাসন ব্যবস্থার অনুরোধ করেছি। ‘মারিয়া, কৃষ্ণা, মনিকা, মাসুরাসহ অনেকেই ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলেছে। যেমন মনিকার বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা খারাপ এবং সেই এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা।’
.png)
প্রধান উপদেষ্টা খেলোয়াড়দের দাবিগুলো মনোযোগ সহকারে শুনেছেন এবং তাদের সকল চাহিদা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ সময় তিনি বাঘিনীদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে চান।
এ প্রসঙ্গে বাঘিনীদের অধিনায়কের ভাষ্য, ‘তিনি আমাদের প্রতিটি বিষয় মনোযোগ দিয়ে জেনেছেন। সবগুলো লিখিত দিতে বলেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা ক্রীড়া উপদেষ্টার মাধ্যমে এই চিঠি দেবো।’
আর্থিক সংকটের যুক্তি তুলে ধরে নারী ফুটবলারদের প্রীতি ম্যাচ খেলানোর পর্যাপ্ত আয়োজন করতে ব্যর্থ বাফুফে। তাই সরকারকে এ বিষয়ে নারী ফুটবলাররা সকলেই নজর দিতে অনুরোধ করেন।
টাইগ্রেস সাবিনা আরো বলেন,‘আমাদের মূলত দেখভাল করবে ফেডারেশন। নতুন সভাপতি তাবিথ (আউয়াল) স্যারকে আমাদের প্রয়োজনীয় সমস্যার কথা বলব। সামগ্রিকভাবে নারী ও পুরুষ উভয় ফুটবল দলের জন্য সরকারের সহায়তা চেয়েছি।’