এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে চার ম্যাচে বাংলাদেশ ১৩টি গোল করেছে। বিপরীতে হজম মারে ৪টি। পোস্টে বাংলাদেশের দেয়ালই হয়ে উঠেছেন গোলরক্ষক রূপনা চাকমা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো তাই সাফের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কারটা বাংলাদেশ দলের এই ফুটবলারের হাতেই উঠেছে।
অন্যান্য ম্যাচের মতো ফাইনালেও পোস্টের সামনে রূপনা ছিলেন অবিচল। দশম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো নেপাল। সাবিত্রা ভান্ডারি বল নিয়ে এগিয়ে যান। সামনে এসে তিনি বল ঠেকান। বাঘিনীদের গোলরক্ষক ৬ মিনিটে রক্ষণভাগ ভেঙে সাবিতার শট সামান্য ডানে ঝাপিয়ে ধরেন। নেপালি গোলরক্ষক অঞ্জলি ৬৯ মিনিটে মারিয়ার দূরপাল্লার বুলেট গতির শট লাফিয়ে কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন।
.png)
রূপনা ৭৬ মিনিটে দুইবার দলকে রক্ষা করেন। সাবিত্রা পোস্টের সামনে বিপদজনকভাবে বল নিয়ে এগিয়ে যান। দৌড়ে সামনে এসে ক্লিয়ার করেন বাংলাদশি গোলরক্ষক। বদলি খেলোয়াড় রেশমির কিকে বল দ্রুততার সঙ্গে ধরেন।